
আছি ৷
বড্ড জানান দিতে ইচ্ছে করে, আছি,
মনে ও মগজে গুন গুন করে
প্রণয়ের মৌমাছি ৷
কোনোদিন, আচমকা একদিন
ভালোবাসা এসে যদি হুট করে বলে বসে,
'চলো, যেদিকে দুচোখ যায় চলে যাই
যাবে?'
তোমার জন্য সকাল, দুপুর
তোমার জন্য সন্ধ্যা
তোমার জন্য সকল গোলাপ
এবং রজনীগন্ধা৷
ভালোবেসেই নাম দিয়েছি 'তণা',
মন না দিলে ছোবল দিও তুলে বিষের ফণা৷
তোমার হাতে দিয়েছিলাম অথৈ সম্ভাবনা,
তুমি কি আর অসাধারন? তোমার যে যন্ত্রণা
খুব মামুলী, বেশ করেছো চুুর সুদর্শনা
আমার সাথে চুকিয়ে ফেলে চিকন বিড়ম্বনা৷
তুমি যেতে চাও, যাও,
আমি পথ হবো চরণের তলে,
না ছুঁয়ে তোমাকে ছোঁব
ফেরাবো না, পোড়াবোই হিমের অনলে৷
আমাকে উল্টো মেরে দিব্যি যাচ্ছো চলে,
দেখি দেখি
বাঁ পায়ের চারু নখে চোট লাগেনি তো?
ইস্ করোছো কি? বসো না লখখিটি,
খমার রুমালে মুছে সজীব খতেই
এন্টিসেপটিক দুটো চুমু দিয়ে দেই৷
তুমি কি জুলেখা, শিরী, সাবিত্রী, নাকি রজকিনী?
চিনি, খুব জানি
তুমি যার তরে, যে কেউ তোমার
তোমাকে দিলাম না ভালোবাসার অপূর্ব অধিকার৷
আজন্ম মানুষ আমাকে পোড়াতে পোড়াতে কবি করে তুলেছে,
মানুষের কাছে এওতো আমার এক ধরনের ঋণ৷
এমনই কপাল আমার
অপরিশোধ্য এই ঋণ ক্রমাগত বেড়েই চলেছে৷
হয়তো তোমাকে হারিয়ে দিয়েছি
নয়তো গিঁয়েছি হেরে
থাক না ধ্রুপদী অস্পষ্টতা
কে কাকে গেলাম ছেড়ে৷ Pin It Now!